বিশ্ব প্রবীণ দিবস

- মহাকাল

এইতো মাত্র ১৩ দিন পূর্বে গেলো বিশ্ব প্রবীণ দিবস। প্রতি বছর পহেলা অক্টোবর পালন করা হয় বিশ্ব প্রবীণ দিবস। ১৯৯১ সাল থেকেই দিবসটি পালন করা হচ্ছে। ১৯৯০ সালে জাতিসংঘ প্রতি বছরের ১ অক্টোবর প্রবীণ দিবসকে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং প্রবীণদের অধিকার, সুরক্ষা ও বার্ধক্যের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে দিবসটি পালন করা শুরু করে। এবারের প্রবীণ দিবস পালনের মূল স্লোগান ছিলো ‘নগর পরিবেশে প্রবীণদের অন্তর্ভূক্তি সুনিশ্চিত করুন’ ।
বিশ্ব প্রবীণ দিবস সুষ্ঠু ভাবে পালিত হওয়ার জন্য আমি সবাইকে জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। দুঃখ জনক হলে ও সত্য যে, বাবা-মার, ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত ও সচ্ছল অনেক ছেলে-মেয়েই আজ বৃদ্ধ মা-বাবাকে করছে অবহেলা, যা সত্যই কাম্য নয়। আমরা কি এই অবস্তা বদলাতে পারি না? অবশ্যই পারি, শুধু তার জন্য বদলাতে হবে আমাদের নিম্ন মানসিকতা।
বিংশ শতাব্দীর এই ত্রিমাত্রিক জগতে দাঁড়িয়ে,আমরা কি প্রতিজ্ঞা করতে পারি না যে? আজ থেকে হাজার হাজার লাইক হবে পিতামাতার জন্য, সেলফি হবে পিতামাতার হাসিমুখ। আঙ্গুল কেনো? হৃদয়ের স্পর্শেই যেনো জানাতে পারি বাবা-মার প্রয়োজন। আমরা পৃথিবীর যেখানেই থাকি না কেনো, ফেইসবুক নয়, বাবা-মার প্রশান্তিময় ফেইসই যেনো হয় দিন শুরুর অনুপ্রেরণা, তবেই মনে হয় আমরা এই ষাটোর্ধ্ব প্রবীণদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রর্দশন করতে পারবো। প্রচন্ড শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হউক বিশ্বের প্রতিটি পরিবার ও বাংলাদেশ। এই প্রত্যয় রেখেই আজ বিদায় নিচ্ছি।
জয় হোক বিশ্ব প্রবীণ দিবস,ভালো থাকুক বিশ্বের সব প্রবীণ।

(মোট পড়েছেন 167 জন, আজ 1 জন)
শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন